আমাদের সম্পর্কে
চাকরি কেমন বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তাঁরা নিজের কর্মস্থল নিয়ে পরিচয় গোপন রেখে রিভিউ, বেতনের তথ্য আর ইন্টারভিউয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে পারেন। উদ্দেশ্য একটাই: চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে মানুষ যেন জানতে পারেন প্রতিষ্ঠানটি আসলে কেমন।
কেন এই উদ্যোগ
চাকরির বিজ্ঞাপনে বেতন লেখা থাকে না, ইন্টারভিউতে কেউ বলে না বেতন কয় মাস দেরিতে আসে, আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার না দেওয়ার কথা জানা যায় যোগ দেওয়ার পরে। এসব তথ্য এতদিন শুধু পরিচিতজনের মুখে মুখে ঘুরত। চাকরি কেমন সেই তথ্য সবার জন্য খোলা জায়গায় নিয়ে আসে।
আইডিয়াটা এসেছে চাকরিপ্রার্থীদের একটি ফেসবুক গ্রুপের আলোচনা থেকে, যেখানে অনেকে ঠিক এমন একটি সাইট চেয়েছিলেন।
এখানে কী পাবেন
- প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রিভিউ ও রেটিং: বেতন, কর্ম-জীবন ভারসাম্য, ব্যবস্থাপনা, কর্মপরিবেশ, উন্নতির সুযোগ।
- কর্মস্থলের তথ্য: বেতন সময়মতো দেয় কিনা, উৎসব বোনাস, ওভারটাইম, প্রভিডেন্ট ফান্ড, অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার।
- পদ অনুযায়ী বেতনের পরিসর।
- ইন্টারভিউয়ের অভিজ্ঞতা ও প্রশ্ন।
- খাতভিত্তিক র্যাংকিং আর দুই প্রতিষ্ঠানের তুলনা।
- শিক্ষকদের জন্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কোচিং সেন্টারের আলাদা বিভাগ।
পরিচয় কীভাবে গোপন থাকে
- লগইনের জন্য শুধু ইমেইল লাগে, পাসওয়ার্ড নয়। ইমেইল কখনো প্রকাশ করা হয় না।
- রিভিউয়ের পাশে নাম, ছবি বা ইমেইল দেখানো হয় না, শুধু পদবি।
- বেতনের তথ্য একজনের হিসেবে কখনো দেখানো হয় না। একই পদে অন্তত তিনজনের তথ্য জমা হলে তবেই পরিসর দেখানো হয়।
- অফিসের ইমেইল দিয়ে যাচাই করলে সেই ঠিকানা আমরা সংরক্ষণ করি না, শুধু একটি এনক্রিপ্টেড চিহ্ন রাখি।
- আইপি ঠিকানাও সরাসরি রাখা হয় না, শুধু তার হ্যাশ।
আমরা যা করি না
টাকার বিনিময়ে কোনো রিভিউ সরানো, লুকানো বা পিছিয়ে দেওয়া হয় না। ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠান অর্থ দিয়ে সেবা নিলেও সে শুধু রিভিউয়ের উত্তর দিতে পারবে। রিভিউ বদলানোর কোনো ক্ষমতা তাদের থাকবে না। এই নিয়ম আমরা প্রকাশ্যে বলে রাখছি, কারণ এটাই এই সাইটের মূল ভিত্তি।
প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের উত্তর দেওয়ার অধিকার আছে। কোনো রিভিউ নীতিমালা ভঙ্গ করলে যোগাযোগ পাতা থেকে অভিযোগ জানাতে পারেন। আমরা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করি এবং সাধারণত ৭ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাই।